Welcome - DARUN NAYEEM DAKHIL MADRASAH

 আস্সালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। 

দারুন নাঈম দাখিল মাদরাসা এর পক্ষ থেকে জানাই স্বাগতম ও শুভেচ্ছা। বাংলা একাডেমী কর্তৃক নির্ধারিত শুদ্ধ উচ্চারণের অঙ্গীকার নিয়ে আমরা সৃজনশীল শিক্ষা দানের উদ্দেশ্যে  যুগোপযোগী ও আধুনিক মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। মানুষ সভ্য হয়ে জন্মায় না। সু-শিক্ষা এবং সঠিক পরিবেশই তাকে গড়ে তুলতে পারে পরিপূর্ণ সভ্য মানুষরূপে এবং তারই জন্য বহন করবে দুনিয়া ও আখিরাতে অবারিত কল্যাণ। কিন্তু আজকের সমাজে সু-শিক্ষা পাওয়া গেলেও সঠিক স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশ পাওয়া যায় না। আবার সঠিক পরিবেশ পাওয়া গেলেও সু-শিক্ষার অভাব থেকে যায়। পৃথিবীর একটি মাত্র ধর্ম যার প্রথম বাণী হচ্ছে শিক্ষা, যা জাতির উন্নতি অগ্রগতি ও সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের প্রধান মাধ্যম। আল-কুরআনে মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘‘তিনি মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন যা সে জানত না। (সূরা আলাক)’’। তাই আজ কুরআন,হাদীস এবং আধুনিক বিজ্ঞান প্রযুক্তি এমন এক শিক্ষা পদ্ধতি অপরিহার্য যা ইহলৌকিক সফলতার পাশাপাশি পরলৗকিক মুক্তি নিশ্চিত করবে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে সুশিক্ষিত ও সঠিক পরিবেশের অঙ্গীকার নিয়েই বিজ্ঞ আলেমেদ্বীন ও অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলীর তত্ত্বাবধানে ২০১৪ইং সনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘‘দারুন নাঈম দাখিল মাদরাসা।’’

কুমিল্লা জেলায় অসংখ্য মাদ্রাসা গড়ে উঠেছে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে ভালো মাদ্রাসার সংখ্যা খুবই কম। সেক্ষেত্রে আমাদের  প্রতিষ্ঠানটি এ অভাব পূরণে একটি ব্যতিক্রমী প্রচেষ্ঠা। ভবিষ্যত প্রজন্মকে তাদের সুপ্ত প্রতিভার যথাযথ বিকাশ ঘটিয়ে শারীরিক, মানসিক, চারিত্রিক, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্ধুদ্ধ করে তোলার লক্ষ্যে সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। 

মেধাবী শিক্ষকগণের উচ্ছল উদ্দীপনায় সুশিক্ষার এক অপূর্ব পরিবেশ গড়ে তোলা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যাতে করে তাদের প্রতিভা বিকাশের উপযুক্ত ক্ষেত্র খুঁজে পায়। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে ধর্মীয় শিক্ষার অনুশাসন, মানবিক মূল্যবোধ ও কম্পিউটার শিক্ষা কর্মসূচীর বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিজ্ঞান মনস্ক দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনের মধ্য দিয়ে প্রকৃত শিক্ষা লাভের পথ নির্দেশ করাই এই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য। 

বাংলা ভাষার যথাযথ অনুশীলনের পাশাপাশি ইংরেজি ভাষাকে দ্বিতীয় ভাষার মর্যাদা দিয়ে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে ভাষাগত দূর্বলতা নির্মূল করার দ্বার উন্মুক্ত করবে আশা করি। সাথে সাথে চিত্রাঙ্কন, সাহিত্য চর্চা, সাংস্কৃতিক কর্মসূচী, খেলাধুলা, শিক্ষা সফর তাদের মেধা বিকাশে ইতিবাচক সুফল বয়ে আনবে।

আমরা আশা করি, অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীদের যুগোপযোগী চাহিদা মেটাতে এবং তাদের সুশিক্ষা লাভের সকল সুযোগ সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হব ইন্শাল্লাহ।